লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো !

লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো

মায়ের লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো তারই মেয়ে আর ছবিতে আপনারা যাকে দেখতে পাচ্ছে সে ৩০ বছর আগেই মারা গেছেন! মারা যাবার পর থেকেই তিনি এভাবে রয়েছেন ৩০ টা বছর আর সাথে একই ঘরে ৩০ বছর ধরে থাকছেন তার মেয়ে। চলুন তাহলে পুরো ঘটনা শুনি।

লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো !

লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো
লাশের সাথে ৩০ বছর কাটালো

চলুন প্রথম থেকে শুনি। ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে সে ৩০ বছর আগেই মারা গিয়েছিলো। ছবির অনেক অংশ ঘোলা করে রাখা হয়েছে কারন এটি প্রায় ৩০ বছর আগের লাশ আর কঙ্কাল দেখা যাচ্ছে তাই।

যেভাবে দেখছেন জামা পরানো এমন কি জুতা আর মোজা পরানো তেমন ভাবেই এই লাশ রয়েছে ৩০ টা বছর। আর সাথে ছিলো তার মেয়ে যার বয়স এখন ৭৭ বছর প্রায়।

কেউ ই কখনো বুঝতে পারেনি এই ঘরে যে ৩০ বছর যাবত ছিলো একটা লাশ। আর ৭৭ বছর বয়সের এই বৃদ্ধা মহিলা কারো সাথে কখনো তেমন কথা বলতেন না।

কোনো রকম জীবন চলতো তার একা একা। কেউ থাকতো না তার সাথে। অনেক প্রতিবেশী তাকে দয়া করে মাঝে মাঝে তার ঘরের দরজার সামনে খাবার রেখে যেতেন।

হঠাত করে এই ৭৭ বছর বয়সী বৃদ্ধা মহিলার ঘর থেকে তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিলো না আর তিনি যে অসুস্থ ছিলেন সেটা প্রতিবেশীরা বুঝতে পেরেছিলেন।

কিন্তু এই বৃদ্ধা মহিলা তো কারো সাথে মেশেন না, কথা বলেন না। তাই প্রতিবেশী ভাবলেন পলুশকে খবর দেয়াটাই ভালো হবে, হয়তো তিনি মরে গেছেন ঘরে।

পুলিশ যখন আসলো বৃদ্ধা মহিলাকে উদ্ধার করতে তখন তারা ঘরে ঢুকে দেখে যে বৃদ্ধা মহিলা মাটিতে পরে আছেন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তখন পাশের ঘরে গিয়ে সবাই অবাক হয়ে যান বিছানায় জামা কাপড় পরানো একটা কঙ্কাল দেখে। এরপর হাসপাতালে যখন বৃদ্ধাকে তার ঘরের বিছানায় পাওয়া কঙ্কালের বেপারে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তিনি বলেন যে সেটা তার মা যিনি ৩০ বছর আগে মারা গেছেন কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন না যে তার মা মারা গেছেন। তাই তিনি তার মাকে কবর না দিয়ে তার সাথেই রেখে দিয়েছেন।

আজকের খবর ছিলো একটি অদ্ভুত ঘটনা নিয়ে কিন্তু এই খবরের মাধ্যমে এটাই বোঝা যায় যে সব সন্তান তার মায়ের মৃত্যুকে মেনে নিতে পারে না। মা যে বড় আপন। যার মা নেই সেই একমাত্র বোঝে যে মা আসলে কি।

যাদের মা বেচে আছে তারা দয়া করে কখনো মায়ের সাথে বা বাবার সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। মনে রাখবেন, এই মা বাবা ই আপনাকে ছোট থেকে বড় করেছে, আপনি যখন কিছুই বুঝতেন না, জানতেন না, তখন এই মা বাবা ই ছিলো আপনার একমাত্র ভরসা। আর আজকে আপনি বড় হয়ে নিজের মা বাবা কেই ভুলে গেছেন। আগে মা বাবা, তারপরে অন্য সবাই।

bangla news সবার আগে পেতে আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন প্রতিদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *