মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো !

মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো

মোবাইল বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন না। তাই মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো এমন শিরোনাম শুনে অনেকেই সাভাবিক মনে করতে পারেন বেপারটা। কিন্তু যদি জিজ্ঞেস করি আপনি যে মোবাইল ব্যবহার করছে সেটা কি নিরাপদ? আর আপনি যে এমন বিপদে পরবেন না সেটা কি আপনি নিশ্চিত? চলুন বিস্তারিত জেনে নেই।

মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো

মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো
মোবাইল বিস্ফোরণে আঙ্গুল হারালো

এই মোবাইল বিস্ফোরণের ঘটনাটি চীনে। বেপারটা অবাক করার মতো। কারন চীনের মতো এতো উন্নত একটা দেশে মোবাইল বিস্ফোরণ হয়েছে আর সেই বিস্ফোরণের ফলে ১২ বছর বয়সের এক কিশোর তার  হাতের আঙ্গুল হারিয়েছে।

শুধু আঙ্গুলই নয়, মোবাইলটি বিস্ফোরণের সময় বিস্ফোরণের ফলে মোবাইলের কিছু টুকরো ঐ ১২ বছরের ছেলেটির চোখে ঢুকে যায় যার ফলে সে হারিয়েছি তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি, এমনটাই জানিয়েছে ঐ কিশোরের চিকিৎসকরা।

এখনো পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায়নি যে কি কারনে ঘটেছিলো কিন্তু যখন মোবাইলটি বিস্ফোরণ হয় তখন মোবাইলটি চার্জ দেয়া অবস্থায় ছিলো।

আপনারা খেয়াল করে থাকবেন যে এখনো পর্যন্ত যে সব মোবাইল বিস্ফোরণের ঘটণা ঘটেছে তার প্রায় অধিকাংশই ঘটেছে মোবাইলে চার্জে দিয়ে ব্যবহার করার সময় আর ঘুমানোর সময় মোবাইল বালিশের নিচে থাকার সময়।

এমনটা তো করা অসম্ভব যে মোবাইল ছাড়া চলা। মোবাইল আমাদের জীবনের সবচেয়ে দরকারী জিনিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম। কিন্তু যেখানে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে মোবাইল চার্জে দিয়ে ব্যবহার করলে কিংবা মোবাইলে বিছানাতে নিয়ে ঘুমালে আমাদের বিপদ হচ্ছে তাহলে কেনো আমরা পারছি না আমাদের এই অভ্যাস গুলো ত্যাগ করতে!

আমাদের সবার উচিত যখন আমরা আমাদের মোবাইল বা স্মার্টফোন চার্জে দেই তখন যেনো আমরা আমাদের মোবাইল বা স্মার্টফোন ব্যবহার না করি। কিন্তু আমরা প্রায় সবাই এই বিপদজনক কাজটি করে থাকি। যদিও আমরা জানি যে মোবাইল চার্জে থাকাকালীন এটি ব্যবহার করা নিরাপদ না।

তাই সবাইকে অনুরোধ করবো যে কেউ যদি এই ১২ বছরের ছেলের মতো নিজের দৃষ্টিশক্তি আর হাতের আঙ্গুল হারাতে না চান তাহলে অবশ্যই চার্জে দেয়া মোবাইল ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

আশা করছি আজাকের খবর আপনাদের মোবাইলে ব্যবহারের বেপারে কিছুটা হলেও সচেতন করতে পেরেছে। এমন সব bangla news সবার আগে জানতে চাইলে প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইটি একবার ঘুরে যেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *