বাবার হাতে মেয়ের লাশ সিরিয়াতে ( ভিডিও )

বাবার হাতে মেয়ের লাশ সিরিয়াতে

বাবার হাতে মেয়ের লাশ বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দুনিয়াতে এর চাইতে বেশি নির্মম দৃশ্য কি আর আছে? কান্না পাচ্ছে? আমাদের ও কান্না পাচ্ছে। এই খবর টা লিখতে গিয়ে যে কতো বার চোখের পানি মুছেছি সেটা হতো জানা নেই। এভাবে হাজার শিশু মারা যাচ্ছে সিরিয়াতে অথচ কেউ নেই সাহায্য করার। সামান্য একটু ভিডিও দিলাম, দেখে নিন।

বাবার হাতে মেয়ের লাশ সিরিয়াতে ( ভিডিও )

দেখেছেন ভিডিও টি? কান্না পাচ্ছে? আমরা বড় অসহায়। কেউ নেই আমাদের আল্লাহ ছাড়া। আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া আর তো কিছু করার নেই আমাদের।

যুদ্ধ করো, না তো কেউ করেনি! কিন্তু এভাবে ছোট ছোট বাচ্চাদের মারতে কি একটু ও হা পা কাঁপেছে না এদের? মনে তো হচ্ছে যারা এই ভাবে ছোট শিশুগুলো কে মারছে নিরপরাধ ভাবে তাদের হয়তো ছেলে মেয়ে নেই, আর নয়তো তাদের শরীরে মন নেই।

বাবার হাতে মেয়ের লাশ সিরিয়াতে
বাবার হাতে মেয়ের লাশ সিরিয়াতে

ক্ষমতার জন্য মানুষ আজকে এতো নিচে নেমে গেছে যে হাজার শিশুর লাশের উপরে দিয়ে হেটে তারা তাদের ক্ষমতার চেয়ারে গিয়ে বসবে।

যুদ্ধের তো কিছু নিয়ম আছে। তা যুদ্ধের কোন নিয়মে বলা আছে যে যারা এখনো ঠিক ভাবে কথাই বলতে পারে না সে সব শিশুদের মারতে?

যদিও মানুষ বলে যুদ্ধ কখনো কোনো নিয়ম মানে না। আসলেই সত্যি এটা। আর দেখতেই তো পাচ্ছি আমরা।

একজন বাবা তার সন্তানকে জীবনের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। ভালোবাসার প্রিয় সন্তানের লাশ কাধে নিয়ে চলতে গিয়ে যে কতো বার বাবার কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছিলো আর কতো টুকরা হয়েছিলো কলিজাটা সেটা একমাত্র সেই বাবাই বলতে পারে।

আজকে যদি আমেরিকা কানাডা বা কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্রের একটা শিশু ও এভাবে মারা যেতো তাহলে পুরো দুনিয়াতে জ্বলে উঠতো। কিন্তু সিরিয়াতে এমন হাজার শিশু মরছে অথচ সবাই চুপ।

কেনো চুপ? তারা মুসলমান বলে? মুসলমানের শিশু বলে? ঠিকই বলেছে, মুসলিমরা কি মানুষ নাকি!

আজকে শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্রগুলো হাত মিলিয়েছে মুসলমানদের শত্রুদের সাথে আর দূরে ঠেলে দিয়েছে নিজেদের মুসলিম ভাইদেরকে।

আল্লাহ অবশ্যই সব দেখছেন। একদিন অবশ্যই আল্লাহ আমাদের কাছ থেকে সব কিছু হিসাব নিবেন।

আজকের খবর ছিলো সিরিয়ার শিশুরা কতোটা সুখে আছে সেটা নিয়ে। সিরিয়ার অবস্থা ভিডিও তে তো দেখতেই পেয়েছে আর খুব ভালো করেই পেয়েছেন সিরিয়ার খবর যে খবর আপনাকে কাঁদিয়েছে। bangla news আরো পেতে আমদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন প্রতিদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *