ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে ! ( ভিডিও )

ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে

ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে এমন কথা শুনে অনেকেই অবিশ্বাস করতে পারেন কিন্তু এটাই সত্যি। যে কেউই বিশ্বাস করতো না যদি ভিডিও টি না থাকতো। যে বেপারটা আরো অবাক করে দিবে সেটা হচ্ছে কিশোরীর বয়স মাত্র ১১ বছর! চলুন দেখি সেই ভিডিও টি যেখানে খালি হাতে সেনাদের মারতে গিয়েছিলো ১১ বছরের মেয়ে!

ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে ! ( ভিডিও )

ভিডিওটি দেখে অবাক হয়েছেন? কিভাবে এতো সাহস পেলো এই ১১ বছরের মেয়ে যে খালি হাতে সেনাদের সাথে মারা মারি করতে নেমেছিলো যে সেনাদের হাতে ছিলো আধুনিক বন্ধুক যার একটা গুলিতে প্রান যেতে পারতো মেয়েটির।

ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে
ফিলিস্তিনি কিশোরী মারলো ইসরায়েলি সেনাকে

তারপর সেই মেয়েটির বয়স বেড়ে হয়েছে ১৬ বছর। তাই সাহস টা আরো একটু বেড়েছে। প্রকাশ্যে চড় মেরে দিলো আবার ঘুষি ও দিলো ইসরায়েলি সেনাদের। ভিডিও তে আপনারা সেগুলো দেখেছেন।

কিন্তু এর জন্য অনেক বিপদে পরতে হয়েছে এই মেয়ের পরিবারকে। অবশ্যই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বসে থাকেনি। তাকে ধরে নিয়ে গেছে, এরপর এই মেয়ের সাথে কি হয়েছে সেটা বুঝতেই পারছেন।

কতো ছোট একটা মেয়ে কিন্তু সাহস বড়দেরকে ও হার মানায়। আসলে চোখের সামনে এতো অপরাধ দেখে এরা যেনো পাথরের চেয়ে ও বেশি শক্ত হয়ে গেছে। অন্যায় ভাবে ইসরায়েল একের পর এক ফিলিস্তিনিকে মেরে ফেলছে আর কখনো বা অন্যায় ভাবে চলাচ্ছে ফিলিস্তিন দখলের চেষ্টা।

এটাই স্বাভাবিক যে মানুষ একদিন অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেই আর অন্যায়কারীদের এক দিন বিচার হবেই। এমন কোনো ইতিহাস নেই যেখানে কোনো অন্যায়কারী রক্ষা পেয়েছে অন্যায় করে।

কোনো না কোনো ভাবে অন্যায়ের বিচার ঠিকই হয়। তবে এটা ইতিহাস সাক্ষি যে অন্যায়কারীরা সময় অনেক বেশি পায় আর হঠাত করেই পতন হয় অন্যায়কারীদের।

ক্ষমতার জন্য আজকে সাধারন মানুষ মারা যাচ্ছে। এমন এক পরিবেশে আমারা এসেছে যেখানে মানুষকে আর মানুষ ভাবা হয় না।

আজকের খবর ছিলো ফিলিস্তিনের সাহসী মেয়ে কে নিয়ে যে নিজের জীবনের কথা না ভেবে ইসরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনের উপর হামলা চালাচ্ছে সে প্রতিবাদ করতে ছুটে গিয়েছিলো খালি হাতে সেনাদের মারতে।

সব রকমের bangla news সবার আগে পেতে প্রতিদিন ভিজিট করুন আমাদের ওয়বসাইট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *