পরকিয়া প্রেমের গল্প

পরকিয়া প্রেমের গল্প

মানুষের জীবনের কিছু কিছু গল্প থাকে যা সবার অজানা। তেমনই একটি পরকিয়া প্রেমের গল্প হচ্ছে জয়া আর দেবের। জয়ার বিয়ে হয়ে গেছে, বিয়ের কিছুদিন পরেই তার স্বামী চলে যায় বিদেশে। আর এদিকে জয়ার দিন কাটতে থাকে একা একা। একদিন এক কাজে গিয়ে জয়া আর দেব দুজনের পরিচয় হয়।

পরকিয়া প্রেমের গল্প

পরকিয়া প্রেমের গল্প
পরকিয়া প্রেমের গল্প

জয়ার ছেলে হবে। হাস্পাতালে নিতে হবে। কিন্তু জয়ার সাথে থাকেন শুধু ওর শাশুড়ি। জয়ার শাশুরির পক্ষে একা সম্ভব না জয়াকে হাসপাতালে নেয়া। জয়া বাধ্য হয়ে দেবকে ফোন দিলো। এছাড়া আর কিছু করার ছিলো না তার।

শহরে সে তেমন কাউকেউ চেনে না। একেবারেই নতুন আর জয়ার শাশুরিও তেমন কাউকে চেনে না যে তাদের সাহায্য করবে শহরে। আর শহরের মানুষদের তো বোঝেন, তারা কেউ সহজে কাউকে সাহায্য করতে চায় না।

কিন্তু দেব জয়ার ফোন পেয়েই ছুটে এসেছিলো। তারপর অনেক সাহায্য করেছে সে জয়া আর জয়ার শাশুড়ি কে, আর এজন্য সে খুব তাড়াতাড়ি জয়া আর জয়ার শাশুড়ির প্রিয় একজন মানুষে পরিনত হয়ে গেলো।

জয়ার ছেলে হয়েছে। সে সুস্থ আছে এখন। প্রায় প্রতিদিন জয়ার স্বামী ইমোতে কল করে কথা বলে তার স্ত্রী জয়া আর মার সাথে। আর এখন তো নতুন একজন সদস্য এসেছে পরিবারে। যদিও সে এখনো কথা বলতে পারে না কিন্তু ভিডিও কল করে বাবার সাথে কথা বলার চেষ্টা যেনো এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছে।

দেব প্রায় প্রতিদিনই আসে জয়াদের বাসায়। দেবের আর জয়া একই গ্রামের। দেব শহরে একা থাকে। তাই সে রাতে কাজ শেষে জয়াদের বাসা হয়ে ঘুরে যায় প্রতিদিন। জয়ার ছেলের প্রায় ৬ মাস হয়ে গেছে।

একদিন রাতে খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো। দেব জয়াদের বাসায় আসতে আসতে ভিজে যায়। আর বাইরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে। কোনো ভাবেই বের হবার সুযোগ নেই।

তাই জয়া দেবকে বললো আজকের তাদের বাসাতেই থেকে যেতে। কারন দেবের বসায় তো কেউই থাকে না। তাই বাসায় না গেলেও চলে।

রাতে তারা সবাই অনেক গল্প করলো। এক সাথে খাওয়া দাওয়া করলো। রাত প্রায় ১১টা বাজে। জয়ার শাশুড়ি ঘুমাতে চলে গেছেন। আর দেবকে তাদের একটা খালি রুমে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দেয়া হলো।

দেবের এতো তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস নেই। তাই ভাবলো জয়ার সাথে গিয়ে গল্প করবে কারন জয়ার ঘরে এখনো লাইট জ্বলছে। তাই দেব গেলো জয়ার ঘরে।

কিন্তু জয়ার ঘরে ঢুকতেই সে পরলো এক অস্বস্তিকর অবস্থায়। জয়া তার ছেলেকে দুধ খাওয়াচ্ছিলো আর জয়ার পরনে কোনো জামা ছিলো না। জয়া আর দেব দুজনেই লজ্জা পেয়ে গেলো আর দেব সাথে সাথেই জয়ার ঘর থেকে বেরিয়ে আসলো।

দেবের ঘুম আসছে না। বার বার মনে পরছে একি দেখলো সে! আর বিয়ের পরে মেয়েদের বড় দুধ থাকে। দেব জয়ার দুধের কথাই ভাবছে বার বার।

দেব কিন্তু মোটেও ভালো লোক নয়। সে গ্রামে থাকতে অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছিলো। আর সে জয়ার সাহায্য করতে এসেছিলো কারন জয়ার স্বামী দেশে থাকে না আর অনেক টাকার মালিক জয়া। তাই সে সুযোগের সৎ ব্যবহার করার অপেক্ষায় জয়াদের এতোদিন সাহায্য করে যাচ্ছিলো।

এই সব কথা ভাবছে দেব আর এই সময় জয়া আসলো তার ঘরে। এসে বললো,

জয়া ঃ বিরক্ত করলাম না তো?

দেব ঃ না, না। কি যে বলেন।

জয়া ঃ আসলে, মানে, বুঝতে পারিনি আপনি ঘরে যাবেন। আসলে এই বাসায় কোনো ছেলে থাকে না তো, তাই খেয়াল ছিলো না বেপারটা যে আপনি আজকে বাসায় আছেন। ( জয়া লজ্জা পাচ্ছে। )

দেব ঃ না, না। আমারই ভুল ছিলো। আমার আপনাকে জিজ্ঞেস করে ঘরে ঢোকা উচিত ছিলো।

জয়া ঃ থাক ঐসব কথা। আপনি এখনো ঘুমাননি যে?

দেব ঃ ঘুম আসছিলো না।

জয়া ঃ ওহ, আচ্ছা।

দেব ঃ আপনি কিন্তু অনেক সুন্দর। কেউ বলবেই না যে আপনার এক ছেলে আছে।

জয়া ঃ কি যে বলেন আপনি। ( সব মেয়েরই শুনাম শুনতে ভালো লাগে, জয়ার ও ভালো লাগছে। কিন্তু সব সুনাম বলার পেছনে যে ভালো কোনো উদ্দেশ্য থাকে না সেটা বুজতে পারে না অনেক মেয়েই। )

দেব ঃ আপনি যদি আমার বউ হতেন তাহলে আপনি আপনাকে রেখে কখনোই ভাইয়ের মতো বিদেশে যেতাম না।

জয়া ঃ কেনো! যেতেন না কেনো বিদেশে!

দেব ঃ বিদেশে গেলে বউয়ের আদর পেতাম কিভাবে! তাই যেতাম না।

জয়া ঃ হা হা হা।

দেব ঃ আপনার শরীরের ফিগার কিন্তু অনেক ভালো।

জয়া ঃ কি এমন ভালো দেখলেন আমার শরীরে? দেখতে তো সুন্দর না আমি মোটেও।

দেব ঃ বললে রাগ করবেন। থাক, নাহয় না ই শুনলেন।

জয়া ঃ বলুন না, শুনি একটু।

দেব ঃ আপনার দুধ গুলো অনেক সুন্দর।

এই বলে দেব জড়িয়ে ধরলো জয়াকে। জয়া একটু ছাড়াতে চেষ্টা করলো কিন্তু পরে সে ও নিজের ইচ্ছাতেই দেবকে নিজেই সুযোগ করে দিলো যৌন বাসনা পূরণ করতে। এভাবেই শুরু হলো তাদের পরকিয়া প্রেমের গল্প যা ছিলো জয়ার শাশুড়ির অজানা।

একদিন জয়ার শাশুড়ি গিয়েছিলো একটু বাইরে কিছু জিনিস কিনতে। আর সেই সুযোগে জয়া আর দেব বাড়ি ফাঁকা পেয়ে তাদের যৌন লালসা পূরণ করার একটা বড় সুযোগ পেয়ে যায়।

কিন্তু জয়ার শাশুড়ি টাকা নিতে ভুলে গেছিলো বলে মাঝ রাস্তা থেকেই বাসায় ফিরে আসে আর এসে দেখে যে দেব আর জয়া নগ্ন অবস্থায় একসাথে খাটে আর পাশেই জয়ার ৬ মাসের ছেলে কান্না করছে।

এমন অবস্থায় ছিলো জয়া আর দেব যেটা কোনো ভাবেই অন্য কোনো কিছু দিয়ে জয়ার শাশুড়িকে এটা বোঝানো যেতো না যে তাদের মধ্যের কোনো অবৈধ সম্পর্ক নেই। এই পরকিয়া প্রেমের গল্প জেনো কেউ না জানে, বিশেষ করে জয়ার প্রবাসী স্বামী জেনো না জানে সে জন্য দেব তখনই জয়ার শাশুড়িকে গলা টিপে মেরে ফেললো।

দেব এতোটাই পশু ছিলো যে পাশে কান্না করতে থাকা জয়ার ৬ মাসের ছেলেটাকে পরকালে পাঠিয়ে দিলো আর এটা করতে দেবের হাত একটু ও কাপেনি।

আর সবচেয়ে কষ্টের বেপার হচ্ছে জয়া দেবকে থামায়নি। এমনকি নিজের ছেলের মুখ বন্ধ করে মেরে ফেলার সময় যতক্ষন ঐ বাচ্চা ছেলেটার শরীরে প্রান ছিলো ততক্ষন ঐ বাচ্চাটা জয়ার হাত ধরে রেখেছিলো কিন্তু জয়া পরকিয়া প্রেমে এতোটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছিলো যে সে একটা বার ও নিজের ছেলের প্রান বাচাতে দেবকে থামায়নি।

এদিকে জয়ার স্বামী যখন ইমোতে কল করে তখন সে নানা রকম বাহানা দিয়ে বলে যে তার ছেলে আর মা বাইরে বেড়াতে গেছে, এটা করছে, ওটা করছে, তারা এখন আসতে পারবে না ফোনের সামনে এই সব বলে কোনো রকম বোঝাতে থাকে।

কিন্তু জয়ার স্বামীর মন যে আর মানে না বিদেশে। সে দেশে চলে আসে আর সে সে দেশে আসছে সেটা জয়াকে জানায় নি। ভেবেছিলো হঠাত দেশে এসে স্ত্রী মা আর প্রানপ্রিয় ছেলেকে চমকে দেবে।

কিন্তু জয়ার স্বামী বাসায় এসে যে নিজেই চমকে গেলো এটা দেখে যে জয়া আর দেব বিছানায় নগ্ন অবস্থায় সহবাস করছে।

এরপর কি হলো? কি হতে পারে এর পরে? আপনার কি মনেহয়? এরপরে যা ই হোক না কেনো, এখনো পর্যন্ত যা যা হয়েছে তা কি কম ছিলো?

অনেকে আবার এটা বলেন যে স্বামী বিদেশে থাকে, আর যৌন ইচ্ছা পূরণ করতেই প্রবাসীদের স্ত্রীরা এমনটা করে। কিন্তু সেই সব মেয়েদের বলবো যে যদি যৌন ইচ্ছা এতোটাই বেশি হয়ে থাকে আপনাদের তাহলে কেনো প্রবাসী স্বামীকে বিয়ে করলেন?

এমন অনেক নারী আছে যারা তার স্বামীর জন্য ৫/১০ বছর অপেক্ষা করে, আর আপনারা ১/২ বছর অপেক্ষা করতে পারেন না আর শুধু করেন নতুন পরকিয়া প্রেমের গল্প যে সব পরকিয়া প্রেমের গল্প শেষ হয় পরিবারে সদস্য নিজের স্বামী এমনকি নিজের সন্তানকে মেরে ফেলার মধ্য দিয়ে।

অনেকে আবার বলে স্বামী যে বিদেশে চলে যাবে সেটা আগে জানতো না। আদের বলবো যদি বিয়ের আগে না ই জানতেন, এখন তো জানেন? তাহলে এখন কেনো স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই অন্য পর পুরুষের সাথে বিছানায় শুয়ে নিজেকে বাজারের মেয়ে বানাচ্ছে?

ডিভোর্স দিয়ে দিন স্বামীকে। এরপর আপনার মনের মতো পুরুষকে বিয়ে করে যা ইচ্ছা করুন। কেউ বাধা দিবে না। কিন্তু প্রাবাসী স্বামীকে ঠকিয়ে কেনো দেশে কুকর্ম করছেন?

এখনকার নারীরা হয়তো ভুলে গেছে যে মরার পরে তাকে তার সব কাজের জবাব দিতে হবে আর কেউ না দেখলে ও উপরে একজন আছেন যিনি সব দেখেন। যিনি জানেন আপনার গোপন খবর। তাকে কি জবার দিবেন মরার পরে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *