পতিতা মেয়ের জীবন

পতিতা মেয়ের জীবন

আজকের গল্প পতিতা মেয়ের জীবন নিয়ে যে মেয়ের নাম কমলা। সে একসময় ছিলো অন্য সব সাধারন মেয়ের মতো সাভাবিক জীবনে। কিন্তু একদিন তার একটা ভুলের জন্য সে আজকের পতিতালয়ে। কি হয়েছিলো তার জীবনে যার জন্য তার আজকের এই অবস্থা! চলুন শুনি একটি মেয়ের পতিতালয়ের গল্প যেখানে বাইরে থেকে মজা আর ভেতর থেকে কষ্ট।

পতিতা মেয়ের জীবন

পতিতা মেয়ের জীবন
পতিতা মেয়ের জীবন

কমলা ছিলো খুব সাধারন একটা মেয়ে। কমলার বাবা চাকরি করতো আর কমলার মা গৃহিনী। ভালই চলছিলো তাদের সংসার।

কমলা সিনেমা দেখতে অনেক পছন্দ করে। সাবাই পছন্দ করে কিন্তু কমলা একটু বেশি পছন্দ করে। সুযোগ পেলেই সিনেমা দেখে সারা দিন পার করে দেয় সে। তবে সব সময় পারে না কারন তার মা তাকে বকে বকে পড়তে বসায়।

সিনামে দেখতে দেখতে কখন যে কমলার মনে সিনেমার নায়িকা হবার ইচ্ছা জেগে উঠেছে সেটা হয়তো ও নিজেও বুঝতে পারেনি। একবার কমলার তার বাবা মার সামনে তার মনের কথা বলেই ফেললো যে সে সিনেমার নায়িকা হতে চায়।

একথা শুনে কমলার মা তাকে ঠাস করে একটা থাপ্পর দিলো। কমলার বয়স মাত্র ১৫, সে বুঝতেই পারলো না সে কি এমন বলেছে যার জন্য তাকে থাপ্পর দেয়া হলো! নায়িকাই তো হয়ে চেয়েছে, আর কি কিছু বলেছে!

মন খারাপ করে কমলা বাসার ছাদে হাটা হাটি করছিলো। এমন সময় একটা ছেলে এসে কমলাকে জিজ্ঞেস করলো, মন খারাপ আপনার?

কমলা ছেলেটাকে হাসি মুখে উত্তর দিলো, “না তো, মন খারাপ না।”

ছেলেটার নাম জয়। এই বাড়িতেই থাকে। আগে একটু আধটু আলাপ হয়েছিলো কমলার ছেলেটার সাথে।

ছেলেটা অনেক মিশুক, কমলার সাথে নিজে থেকেই কথা বলে প্রতিবার। জিজ্ঞেস করে কেমন আছে, লেখাপড়ার কি খবর। দেখতেও ভালো ছেলে মনেহয়। চোখে চশমা পরে, মনেহয় যেনো একজন ডাক্তার, কিন্তু সে ভার্সিটিতে পড়ে।

কথায় কথায় কমলা ছেলেটাকে বলে ফেললো যে তার মা তাকে মেরেছে, সে নায়িকা হতে চেয়েছে বলে। জয় কমলাকে বললো, নাইকা হতে চাও তুমি! সে তো ভালো কথা, কিন্তু আন্টি তোমাকে মারলো কেনো!

কমলা নায়িকা হতে চায় এটাকে এই প্রথম কেউ ভালো বললো। কমলার খুব ভালো লেগেছে ছেলেটাকে। তারা অনেকক্ষন গল্প করে সিনেমা নিয়ে। জয় ওকে বলে যে সে ওকে নায়িকা হতে সাহয্য করবে। কিন্তু সে যেনো কাউকে না বলে। বললে যদি তার আম্মু তাকে আবার মারে!

কমলা তো খুব খুশি যে সে নাইকা হবে আর জয় তাকে নাইকা হবার জন্য সব রকমের সাহায্য করবে। জয় ঠিক করলো যে ছাদে তো আর নায়িকা হবার জন্য practice করা যাবে না, তাই তারা জয়ের ঘরে নায়িকা হবার জন্য প্রস্তুতি নিবে আর practice করবে।

কমলা ওর মোবাইল নাম্বার দিলো জয়কে। পরদিন কমলার স্কুল থেকে এসে দেখে তার মা বাসায় নেই, বাইরে গেছে। আসতে দেরি হবে। তাই সে জয়কে ফোন দেয় যে তার মা বাসায় নেই। এখন সে কি আসবে জয়দের ঘরে নায়িকা হবার জন্য practice করতে?

জয় বললো যে তার ঘরে তো তার মা আছে। আর নায়িকা হবার জন্য অনুশীলন করতে হলে তো ঘরে কেউ থাকলে হবে না। কমলা কিছুই বুঝলো না, ঘরে মানুষ থাকলে হবে না কেনো!

জয় কমলাকে বুঝিয়ে বললো যে, দেখো না সিনেমায় নায়ক নায়িকা একা থাকে, তাদের আশে পাশে কেউ থাকে না তো। তাই অনুশীলনের সময় ও আশে পাশে কেউ থাকলে হবে না। কমলা বললো, ও এই কথা! তাহলে তুমি আমাদের ঘরে চলে আসো, আমাদের ঘরে তো কেউ নেই এখন।

জয় তারপর গেলো কমলাদের ঘরে। কমলা জয়ের জন্য হাল্কা নাস্তার ব্যবস্থা করলো। তারপর জয় বললো, চলো তাহলে শুরু করি। প্রথমে আমি তোমাকে প্রপোজ করবো। আচ্ছা ফুল আছে তোমাদের ঘরে কোনো?

কমলা এদিক ঐদিক খুজে প্লাস্টিকের ফুল নিয়ে এলো। তারপর তারা সিনেমার নায়ক নাইকাদের মতো অনেক রকম ভাবে প্রপোজের প্রাক্টিস করলো। আবার জয় নিজেকে সিনেমার লোকদের মতো কমলাকে বুঝিয়ে দিচ্ছিলো এভাবে না এভাবে করো, এটা সেটা।

এভাবে তাদের প্রথমদিনের practice শেষ হলো। কমলার মন আজকে খুব খুশি। সে আজকে প্রথমবার নায়িকা হবার জন্য যা যা শিখতে হয় তার অনেক কিছু শিখেছে জয়ের কাছে।

এরপরে আবার আরেকদিন জয়ের ঘরে কেউ ছিলো না, তখন সে কমলাকে ফোন দিয়ে বললো যে সে কি আসবে নাকি তাদের ঘরে নায়িকা হবার জন্য অনুশীলন করতে। এখনো তো অনেক কিছু শেখা বাকি।

কমলা তো খুশি খুশি রাজি হয়ে গেলো। সে তার মাকে বললো যে সে এক বান্ধবির বাসায় যাচ্ছে। এই বলে সে গেলো জয়দের ঘরে।

গিয়ে দেখে জয় তার জন্য অনেকে খাবার সাজিয়ে রেখেছে। কমলার প্রিয় সব খাবার ছিলো। প্রথমে তারা দুজন মিলে সিনেমার গল্প করতে করতে খাবার শেষ করলো। তারপর জয় বললো, চলো, আমার রুমে চলো।

তারপর একটা রোমান্টিক গান ছেড়ে দিয়ে সে আর কমলা রোমান্টিক ভাবে নাচতে থাকলো। নাচের এক পর্যায়ে জয় কমলার বুকে হাত দিয়ে দুধ টিপে ধরল আর দুধ টিপতে শুরু করলো।

কমলা অনেক লজ্জা পেলো আর একটু রেগে গেলো আর বললো, এগুলো কি করছে জয় ভাইয়া! জয় বললো, কি করছি মানে! তোমাকে নায়িকা বানানোর জন্য তৈরী করছি।

কমলা বললো, বুকে হাত দিয়েন না please, কেমন যেনো লাগে। জয় একটু রেগে গিয়ে কমলার থেকে দূরে সরে গিয়ে বললো, ঠিক আছে, আমি আর তোমাকে কিছু শেখাতে পারবো না। তুমি হয়তো দেখোনি সিনেমায় নায়ক নায়িকারা কতো কিছু করে।

কমলা ভাবলো জয় তো ঠিকই বলছে, সিনেমায় নায়ক নায়িকারা তো এরকম অনেক কিছুই করে। কমলা জয়ের রাগ ভাঙ্গাতে জয়ের সামনে গিয়ে জয়কে জড়িয়ে ধরে বললো, চলেন, আবার শুরু করি অনুশীলন।

জয় এবার কমলার জামার ভেতরে হাত দিয়ে ওর দুধ টিপতে থাকে জয়। কমলার অনেক খারাপ লাগছে। এভাবে বুকের দুধ টিপা তার পছন্দ হচ্ছে না কিন্তু সে যে নায়িকা হতে চায়, তাই নিজেকে বুঝাচ্ছে কমলা যে নায়িকা হতে হলে একটু আধটু এমন হয়তো করতেই হয়।

এরপর থেকে নায়িকা হবার practice এর নাম করে জয় যখনই সুযোগ পায় তখনি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক করতে থাকে কমলার সাথে। আর এভাবেই চলতে থাকে একটা মেয়েকে নায়িকা বানানোর নাম করে নষ্ট করা আর শুরু হয় নতুন নষ্ট সম্পর্কের গল্প যা ছিলো গোপন সবার থেকে।

আস্তে আস্তে কমলা বুঝতে পারে যে সে………………… আর তাই সে জয়ের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ করতে চায় না। এরপর জয় শুরু করে ব্লাকমেইল, কারন সে যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ভিডিও করে রেখেছিলো।

কমলা বাধ্য হয়ে জয়ের সাথে দিনের পর দিন বাজে কাজ করতে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। জয় অবশেষে কমলাকে বিক্রি করে দেয় এক পতিতালয়ে। আর তখন থেকেই শুরু হয় কমলার পতিতা মেয়ের জীবন আর শেষ হয় সুন্দর জীবনের কমলা।

এই পতিতা মেয়ের জীবন থেকে সব মেয়ের শিক্ষা নেয়া উচিত। এটাই ছিলো একটি পতিতা মেয়ের জীবন আর পতিতালয়ের গল্প আর কষ্ট। আজকের bangla golpo তাদের জন্য ছিলো যারা নায়িকা হয়ে চায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *