পতিতা জীবন থেকে মুক্তি

পতিতা জীবন থেকে মুক্তি

পতিতা জীবন থেকে মুক্তি গল্পটা একজন পতিতা মেয়ে আর একজন প্রেমে ব্যর্থ ছেলের জীবনের ১ মাসের একটা গল্প। মানুষের জীবনের সব সময়টা ভালো যায় না আবার যখন মানুষের জীবনে ভালো একটা সময় আসে সেই সময়টাও অনেক সময় মানুষ ধরে রাখতে পারে না। চলুন শুরু করি পতিতা জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া এক অন্যরকম ভালোবাসার গল্প।

পতিতা জীবন থেকে মুক্তি

পতিতা জীবন থেকে মুক্তি
পতিতা জীবন থেকে মুক্তি

রাশেদ ছিলো অন্যরকম একটা ছেলে। খারাপ কাজের মধ্য থেকে ভালো একটা কিছু খুজে বের করতো সে। রাশেদ একটা মেয়েকে পছন্দ করতো। মেয়েটার নাম ছিলো….. থাক, নাম বলে আর কি হবে, তবে মেয়েটা রাশেদকে ধোকা দেয়, সে মেয়টি তার আগের বয়ফ্রেন্ডকে বিয়ে করে সারা জীবনের জন্য চলে যায় রাশেদের জীবন থেকে।

এরপর রাশেদের সাথে আরো একটা মেয়ের সাথে সম্পর্ক তৈরী হয়েছিলো কিন্তু এবার রাশেদ নিজেই দূরে চলে আসে সেই মেয়ের জীবন থেকে কারন রাশেদ এখনো তার আগের গার্লফ্রেন্ডের কথা ভুলতে পারেনি, তাই।

ভালোই চলছিলো রাশেদের জীবন, ভালো মানে সেই রকম ভালো না, রাশেদের কাছে ভালো। কারন রাশেদ খারাপ দিকে চলে গিয়েছিলো কিছুটা।

থাইল্যান্ডে অনেক সুন্দরী মেয়েদের যৌন পল্লি আছে, তাই রাশেদ সেখানে যাবে বলে ঠিক করলো তবে সে খারাপ কাজ করতে যাবে না যৌন পল্লিতে, যাবে ভালো একটা কাজ করতে!
যৌন পল্লিতে কেউ আবার ভালো কাজ করতে যায় নাকি!

হয়তো সবাই বিদেশি যৌন পল্লিতে যায় হট মেয়েদের সাথে যৌন সম্পর্ক করতে কিন্তু রাশেদের উদ্দেশ্য ছিলো অন্য রকম। কি সেই উদ্দেশ্য সেটা আস্তে আস্তে জানতে পারবেন।
রাশেদ এখন থাইল্যান্ড চলে এসেছে, আর এখন রাত, সে একাই চলে এসেছে থাইল্যান্ডের একটা যৌন পল্লিতে। রাস্তার দুই পাশে যেদিকে চোখ যায় শুধু মেয়ে আর মেয়ে। মেয়েরা বিকিনি পরে দাঁড়িয়ে আছে, আবার কোনো কোনো মেয়ে শুধু ব্রা পরে দাঁড়িয়ে আছে রাস্তার পাশে আর যে কোনো লোক দেখলেই তারা উত্তেজক ভাবে নিজেদের তুলে ধরছে।

যদিও মেয়েগুলো যেই নোংরা ড্রেস পরে আছে তাতে যে কোনো ছেলে দেখলেই…………..

রাশেদ এই সব বাজে মেয়েদের দেখছে আর মুচকি হাসতে হাসতে হেটে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে কিছু মেয়ে এসে রাশেদকে হাত ধরে টান দিচ্ছে হোটেলের ভেতরে যাবার জন্য। রাশেদ কিছু না বলে মুচকি হেসে হেটেই যাচ্ছে, যেনো কোনো গন্তব্য নেই, কোথাও যাবার নেই, শুধু হেটেই চলেছে।

হঠাত রাশেদ খেয়াল করলো একটা মেয়ে বসে আছে একটা হোটেলের পাশে। মেয়েটা অন্য সব পতিতাদের মতোই হট ড্রেস পরে ছিলো কিন্তু সে অন্য পতিতাদের মতো কোনো লোককে হোটেলে রাত কাটানোর জন্য ডাকছে না।

রাশেদ ঐ মেয়েটার কাছে গেলো, রাশেদকে দেখে অন্য অনেক পতিতা রাশদের কাছে আসলো কিন্তু রাশেদ কাউকে পাত্তা দেয়নি। ঐ মেয়েটার পাশে বসার জন্য একটু জায়গা ছিলো, রাশেদ সেখানে গিয়ে বসলো। বসার জায়গাটা খুব কম ছিলো তাই রাশেদের ইচ্ছা না থাকলেও মেয়েটার শরীরে সাথে লেগে লেগে বসলো।

কিছুক্ষন বসে থাকার পরে মেয়েটি একটু জোরে নিশ্বাস নিলো, এরপর রাশেদকে বললো, “ভেতরে চলুন।”

রাশেদ কোনো কথা না বলে মেয়েটির পেছনে পেছনে ভেতরে গেলো। ভেতরে মেয়েটি হোটেলের মালিকে দেখিয়ে দিলো ইশারা করে।

রাশেদ হোটেলের মালিকের সামনে গেলো।

হোটল মালিক : আমাদের রেট খুবই কম, কিন্তু জিনিস ভালো, আর আপনের চোখ কিন্তু এক্কেবারে শকুনের মতো, ভালো একটা জিনিস পছন্দ করছে, কালকেই মাইয়াটারে ওর বয়ফ্রেন্ড আমার কাছে বেইচা দিয়া গেছে। একরাত মাত্র ৫ হাজার টাকা, নতুন জিনিস তো, তাই দামটা একটু বেশি।

রাশেদ : ১ মাসের জন্য তাহলে ১.৫ লাখ টাকা। ( ব্যাগ থেকে টাকার বান্ডেল বের করলো রাশেদ ) এই নিন, টাকা গুনে নিন।
হোটেল মালিক : ১ মাস মানে!
রাশেদ : মানে আমি আপনার জিনিসটা ১ মাসের জন্য ভাড়া করতে চাই।
হোটেল মালিক : স্যার, কি যে বলেন, এক মাস একটা মেয়েই কি আর ভালো লাগবো! আরো কতো মেয়ে আছে, এক এক দিন এক এক জিনিসের মজা নিতে পারবেন।
রাশেদ : যা বলেছি, তা ই করুন।
হোটেল মালিক : আপনের যা মন চায় তা ই, তবে টাকা কিন্তু ফেরত পাইবে না, তখন কিন্তু কইতে পারবে না কিছু।

রাশেদ : আমি একটু বেশি অকাজের কথা বলেন, যেটা আমার পছন্দ না।
হোটেল মালিক : স্যার দেখি রাইগা গেছেন, নেন স্যার, এক গ্লাস নেন।
রাশেদ : আমি এই সব খাই না। আমি মেয়েটিকে আমার এখানকার বাসায় নিয়ে যেতে চাই।
হোটেল মালিক : এইটা তো সম্ভব না স্যার, মেয়েটারে যে ১ মাস পরে আপনে ফিরাইয়া দিয়া যাইবেন তার গ্যারান্টি কি!
রাশেদ : তাহলে কি করলে আমি মেয়েটিকে আমার বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবো?
হোটেল মালিক : একটাই উপায় আছে।
রাশেদ : কথা না বাড়িয়ে উপায়টা বলুন।
হোটেল মালিক : জিনিসটা এক্কেবারে কিন্না নিতে হইবো, দাম ৫ লাখ।
রাশেদ : ( ব্যাগ থেকে আরো টাকা বের করে হোটেল মালিকের সামনে রাখলো ) গুনে নিন, ৫ লাখ আছে এখানে।

হোটেল মালিক : কি যে বলেন না স্যার, গুনতে হবে না, আপনি জিনিস নিয়া যান। ( এই বলে হোটেলের মালিক টাকা গুনতে শুরু করলো )
রাশেদ : এটা জিনিস না, এটা একটা মানুষ, মেয়ে মানুষ। আর একটা কথা, মেয়েটিকে বলবেন না যে আমি ওকে কিনে নিয়েছি, বলবেন যে ১ মাসে জন্য বাড়িতে নিয়ে যাবার জন্য ভাড়া করেছি ওকে।
হোটেল মালিক : আপনে যা কইবেন তা ই কমু, আমার টাকা আমি পাইয়া গেছি, আর কোনো সমস্যা নাই।

এরপর হোটেল মালিক মেয়েটির সামনে গিয়ে মেয়েটিকে বললো, “স্যার তরে ১ মাসের জন্য ভাড়া করছে, তুই তার সাথে যা।”

মেয়েটি কিছু না বলে রাসেদের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে আছে।

মেয়েটি মনে মনে ভাবছে, এই শয়তানটাকে ১ টা মাস সহ্য করতে হবে, তবে ভালই হয়েছে, প্রতিদিন এক এক রকম মানুষের সাথে রাত না কাটিয়ে একজনের সাথেই থাকতে হবে।

আর মেয়েটি তাকিয়ে আছে দেখে রাশেদ মনে মনে ভাবছে, মেয়েটি হয়তো ভাবছে এ কোনো আজব মানুষ যে একটা মেয়েকে কিনে নিলো ১ মাসের জন্য!

রাশেদ হাটতে শুরু করলো আর মেয়েটি ও রাশেদের পেছনে পেছনে হাটছে। রাস্তায় কিছু খাবারের দোকান দেখে রাশেদ মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলো,

রাশেদ : জানি না তুমি কেমন খাবার খেতে পছন্দ করো, তবে আমার রাস্তার পাশের দোকান থেকে খাবার খেতে ভালই লাগে। আজকে দুপুরেও খেয়েছিলাম, অনেক মজার, তুমি খাবে?
মেয়েটি মাথা নাড়িয়ে হ্যা বললো।

রাশেদ খাবার কিনে মেয়েটিকে দিলো আগে, মেয়েটি খাচ্ছে না। খাবার হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর রাশেদকে দেখছে।

রাশেদ নিজের জন্য ও খাবার নিয়ে মেয়েটিকে খেতে বললো, মেয়েটি আস্তে আস্তে খাচ্ছে, আর কাদছে। মেয়েটির কান্না করা দেখে রাশেদ জিজ্ঞেস করলো, “কাদছো কেনো?”। মেয়েটি কোনো উত্তর দিলো না।

খাওয়া শেষে দুজনে হাটতে হাটতে একটা বাড়ির সামনে গেলো। ( রাস্তায় দুজনই চুপ চাপ ছিলো। কোনো কথা বলেনি কেউই। রাশেদ হেটেছে আর মেয়েটি রাশেদ যেদিকে গেছে সেদিকে গেছে। )

মেয়েটিকে বাড়িটা দেখিয়ে রাশেদ বললো, বাড়িটা কিছু দিনের জন্য ভাড়া নিয়েছি। চলো ভেতরে যাই। তারপর রাশেদ আর মেয়েটি ভেতরে গেলো। মেয়েটি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। রাশেদ মেয়েটিকে বললো, “যাও, গোসল করে নাও, তারপর ঐ আলমারি থেকে একটা ড্রেস পরে আমার বেড রুমে এসো।

মেয়েটি রাশেদের কথা মতো গোসল করে আলমারি থেকে জামা নিতে গিয় দেখলো জামা গুলো খুব সুন্দর। বাজে রকমের দেখতে কোনো হট ড্রেস না।

মেয়েটি একটা লাল জামা পরে গেলো রাশেদের সামনে। রাশেদ বেড রুমের খাটে বসে ছিলো, মেয়েটি লালা জামা পরে রুমের ভেতরে আসার পরে রাসেদ হা করে তাকিয়ে ছিলো।

আসলে বিদেশি মেয়ে তো, অনেক সুন্দর, আবার পরেছে বাঙ্গালি ড্রেস।

মেয়েটি খাটে গিয়ে বসলো রাশেদের পাশে। রাশেদ নিজের মতো করে মোবাইলে কি জেনো করছে, মেয়েটি সেটা দেখে অবাক! মেয়েটি ভাবছে যে এগুলো কি হচ্ছে! লোকটা আমার মতো পতিতাকে তাহলে ভাড়া করেছে কি জন্য! শুধু চেহারা দেখতে

রাশেদ একটু পরে মোবাইল রেখে বললো,

রাশেদ : তুমি বসে আছো কেনো! তুমি তোমার কাজ করো।
মেয়েটি রাশেদে কথা শুনে মনে করলো যে রাশেদ হয়তো ওকে জামা কাপড় খুলে নিজেকে তৈরী হতে বলেছে যৌন সম্পর্ক করার জন্য।

মেয়েটি আস্তে আস্তে নিজের জামা খুলছে আর কাঁদছে,কারন মেয়েটি কিছু সময়ের জন্য ভেবেছিলো রাশেদ হয়তো তেমন কিছু করবে না ওর সাথে।

মেয়েটি জামা খুলে রাখলো, এরপর ব্রা টাও খুলে ফেললো। উলঙ্গ অবস্থায় মেয়েটির দুধ গুলো দেখা যাচ্ছে। রাশেদে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে দেখলো মেয়েটির পরনে কোনো জামা নেই। খালি বুকে দুধ গুলো দেখা যাচ্ছে। এতোদিন তো ইন্টারনেটে ভিডিও তে দেখেছিলো বিদেশি মেয়েদের দুধ, আর আজকে নিজের চোখে দেখছে।

রাশেদের অনেক ইচ্ছা করতে মেয়েটির দুধ টিপতে কিন্তু রাশেদ নিজেকে সামলে নিলো। মেয়েটির দিকে জামাটা এগিয়ে দিয়ে বললো, “আমি তোমাকে জামা কাপড় খুলে বাজে কাজ করতে বলিনি, বলেছিলাম তোমার কাজ করতে, মানে তোমার যা ইচ্ছা তা করতে, কারন তুমি তখন চুপচাপ বসে ছিলে”

মেয়েটি হাতে জামাটা নিয়ে কাঁদছে আর জামাটা পরছে।

রাশেদ : নাম কি তোমার।
মেয়েটি : ফুয়ারা টুকু টিম্বা।
রাশেদ : কি নাম রে বাবা! এমন নাম কে রাখছে তোমার!
ফুয়ারা : আম্মু।
রাশেদ : তোমার আম্মু কোথায় এখন?
ফুয়ারা : জানি না।
রাশেদ : আর তোমার আব্বু?
ফুয়ারা : দেখিনি কখনো।
রাশেদ : দেখোনি মানে!

ফুয়ারা : আমার মা পতিতা ছিলো, হয়তো কারো সাথে অবৈধ্য মেলা মেশার ফল আমি।
রাশেদ : তা, এই লাইনে আসলে কি করে?
ফুয়ারা : আমার মা আমাকে জোর করেছিলো তার মতো পতিতার কাজ করতে, আমি তাই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলাম। পরে রাস্তায় একদল ছেলে আমাকে একা পেয়ে তুলে নিয়ে যায় ঐ হোটেল মালিকের কাছে, আর বিক্রি করে দেয় আমাকে।

রাশেদ : তা কবে থেকে করছো এই কাজ?
ফুয়ারা : আজকে থেকেই।
রাশেদ : বুঝতে পেরেছি। কিন্তু হোটেল মালিক যে বলেছিলো তোমার বয়ফ্রেন্ড তোমাকে বিক্রি করে দিয়ে গেছে।

ফুয়ারা : আমার বয়ফ্রেন্ড ছিলো না ওরা, আমার কখনো কোনো বয়ফ্রেন্ড ছিলো না, আমি ছেলেদের ঘৃণা করি, কিন্তু ঐ ছেলেগুলো হোটেল মালিকের কাছে কি বলে আমাকে বিক্রি করেছিলো আমি সেটা জানি না। আপনি চাইলে আমাকে টেস্ট করতে দেখতে পারেন যে আগে আমার সাথে কেউ কোনো অবৈধ সম্পর্ক করেছিলো কিনা।

রাশেদ : টেস্ট করা লাগবে না, তুমি বলেছো আমি বিশ্বাস করেছি। এখন তোমার কাজ তুমি করো তবে জামা কাপড় টা দয়া করে পরে রেখো, তোমার বিদেশি মেয়েরা এমনিতেই অনেক HOT, তার উপরে যদি জামা খুলে সামনে বসে থাকো তাহলে কোনো ছেলের পক্ষেই সম্ভব না নিজেকে সামলানো।

( ফুয়ারা হাসছে। আর লজ্জা ও পাচ্ছে। )

রাশেদ : তোমার হাসিটা তো অনে সুন্দর। যাই হোক, তোমার অতো বড় নাম আমার মনে থাকবে না, আমি তোমাকে ফুয়ারা বলেই ডাকবো।

ফুরায়া মাথা ঝুলিয়ে হ্যা বললো।

তারপর দুজনে একই বিছানায় ঘুমিয়ে পরলো।

সকাল হয়ে গেছে। রাশেদ উঠে পরলো নামাজ পরতে। থাইল্যান্ডে হয়তো আজান দেয় না, তাই কোনো আজানের আওয়াজ শুনতে পায়নি রাশেদ। তাই অনুমান করে ফজরের নামাজের সময় উঠে নামাজ পড়লো সে।

ফুয়ারা ও উঠে গেছে রাশেদ কি করছে সেটা দেখতে। নামাজ শেষ করে রাশেদ দেখে যে ফুয়ারা রাশেদের দিকে তাকিয়ে দেখছে। ফুয়ারা জিজ্ঞেস করলো এটা কি ব্যয়াম করলো রাশেদ? রাশেদ তারপর ফুয়ারা কে বুঝিয়ে বললো যে এটা নামাজ আর যারা ইসলাম ধর্ম মেনে চলে, মানে যারা মুসলিম তারা এভাবেই নামাজ পরে ৫ ওয়াক্ত।

ফুয়ারার খুব ভালো লেগেছে নামাজের বেপার টা। সে মুসলমান না, তবে সে হয়তো মুসলমান হতে চায়, কারন সে ইসলাম সম্পর্কে অনেক কিছু জিজ্ঞেস করছে রাশেদকে।

ফুয়ারা রান্না বান্না করে, আর রাশেদ তার থাইল্যান্ডের ব্যবসার কাজ শেষ করছে। মাঝে মাঝে তারা বেড়াতে যায় বিভিন্ন জায়গায়।

এতো সুন্দর ভাবে ১ টা মাস কেটে গেলো যেনো রাশেদ আর ফুয়ারা দুজনেই সুখি স্বামী স্ত্রী। কিন্তু আসলে তারা সেটা নয়।

আজকেই শেষ দিন ১ মাসের। রাশেদ দেশে ফিরে আসার জন্য ব্যাগ গোছাচ্ছে আর ফুরায়া কান্না কান্না ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দরজার পাশে। হয়তো কিছু বলতে চায় ফুয়ারা, কিন্তু বলতে পারছে না।

রাশেদ নিজেই ফুয়ারা কে জিজ্ঞেস করলো,
রাশেদ : কিছু বলবে তুমি?
ফুয়ারা : আমি যাবো না ঐ বাজে জায়গায়, আমাকে মেরে ফেলো, তাতেও আমি রাজি। আমি যাবো না।
রাশেদ : যেতে হবে না। তোমাকে তো বলা হয়নি, আমি তোমাকে একেবারেই মুক্ত করে নিয়ে এসেছিলাম সেদিন। আমার জীবনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। বার বার আমাকে আমার প্রিয়মানুষটা ধোঁকা দিয়েছে। তাই আর মেয়েদেরকে বিশ্বাস করি না। যেমন তুমি ছেলেদের বিশ্বাস করো না, তেমনি আমি ও মেয়েদের বিশ্বাস করি না। এখানে এসেছিলাম একজন পতিতা কে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে। কেনো এমন ইচ্ছা জেগেছিলো আমার মনে আমি সেটা জানি না। তবে ইচ্ছাটা পুরন হয়েছে। হয়তো আর কখনো দেখা হবে না। আমি কিছু ডলার রেখে যাচ্ছি। তুমি তোমার মতো সুন্দর করে জীবনটা সাজিয়ে নিয়ো।

আর একটা কথা। আমি আমার ২য় গার্লফ্রেন্ডকে ছেড়ে দিয়েছিলাম এই জন্য যে আমার বার বার পরে পরতো আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ডের কথা। কিন্তু তোমার সাথে এই ১ মাস থাকার সময় আমার একবার ও মনে পরেনি অন্য কোনো মেয়ের কথা। ভালো থেকো।
এরপর রাশেদ চলে এলো দেশে। হয়তো আনতে চেয়েছিলো ফুয়ারাকে, অথবা নিজেই থাকতে চেয়েছিলো ফুয়ারার দেশে। কিন্তু এই দুটোর কোনোটাই সম্ভব না।

এভাবেই ভিন্ন দেশের ভিন্ন পরিবেশের দুইজন মানুষের সাথে মনের একটা সম্পর্ক তৈরী হয় যে সম্পর্কটা হয়তো কোনো পরিনতি পায়নি তবে দুটি মানুষের জীবনটাকে পালটে দিয়েছে।

একজন পেয়ছে পতিতা জীবন থেকে মুক্তি আর একজন পেয়েছে ভালোবাসা মানুষ যাকে সে কখনো ভুলতে পারবে না।

তবে ফুয়ারা হয়তো হয়তো কখনো পতিতা জীবন থেকে মুক্তি থেকে মুক্তি পেতো না যদি রাশেদ নিজের মনের অজানা একটা ইচ্ছা নিয়ে থাইল্যান্ডে না আসতো।

আর অন্য দিকে রাশেদ ও কিন্তু পতিতা জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছে। অনেকে হয়তো অবাক হতে পারেন যে রাশেদ কিভাবে মুক্তি পেয়েছে, রাশদ তো পতিতালের সাথে জরিত না।

আসলে রাশেদ পতিতা জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছে মানে সে কোনো দিনও আর পতিতালয়ে যাবে না। কারন সে যদি কখনো পতিতালয়ে যায় তাহলে তার মনে পরে যাবে যে, হয়তো ফুয়ারার মতোই কোনো অসহায় মেয়ে বাধ্য হয়ে করছে পতিতার কাজ।

রাশেদ তো এসেছিলো জীবনটা নষ্ট করতে, কিন্তু তার জীবনটা বেছে গেচগে ফুয়ারার মতো একটা মেয়ের সাথে দেখা হয়ে। আর ফুয়ারার জীবনটা ও বেছে গেছে, মিলেছে পতিতা জীবন থেকে মুক্তি শুধু মাত্র রাশেদের জন্য।

জীবন হয়তো তাদের আবার এক করতে পারে, আবার এক না ও করতে পারে, তবে দুজনের মনে দুজনের জন্য একটা বড় জায়গা সব সময় থাকবে যে জায়গায় আর অন্য কেউকে বসাতে পারবে না তারা।

আশা করি পতিতা জীবন থেকে মুক্তি নাম এই গল্পটা ভালো লেগেছে আপনার। যদি পতিতা জীবন থেকে মুক্তি গল্পটা ভালো না গেলে থাকে তাহলে পতিতা জীবন থেকে মুক্তি গল্প পরে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

এই পতিতা জীবন থেকে মুক্তি গল্প লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিলো এটাই যে সব পতিতা মেয়ে খারাপ না, কেউ কেউ বাধ্য করে খারাপ কাজ করে, কিন্তু সব পতিতা মেয়েও  কিন্তু ভালো না, কারন অনেক মেয়ে আছে যারা নিজের ইচ্ছায় ভালো কাজের সুযোগ থাকার পরেও পতিতালয়ে কাজ করে আর তাদের অধিকাংশই হলো নাইকা আর মডেল যাদের আমরা খুব সম্মান করি।

One thought on “পতিতা জীবন থেকে মুক্তি”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *