কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প

কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প

কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প নিয়ে আপনাদের সামনে এসেছি যেটি একটি বাস্তব গল্প। চলুন তাহলে শুনি সেই ধর্ষনের গল্প। পরী হচ্ছে গরিব বাবা মায়ের মেয়ে। তাদের সংসারে অনেক অভাব। তাই তার বাবা বাধ্য হয়ে তাকে তাদের গ্রামের এক সরকারী কর্মকর্তার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে দেন।

কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প

কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প
কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প

সব কিছু ভালোই চলছিলো। সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রীও পরীর সাথে খুব ভালো ব্যবহার করতো। আর পরী যেহেতু বয়সে খুব ছোট ছিল, মাত্র ১০ বছর তাই তিনি পরীকে খুব একটা ভারি কাজ করতে দিতেন না।

সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী একটা কাজে তার বাবার বাড়ি যাচ্ছেন। তাই পরীরে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন যেনো তার স্বামীর কোনো অসুবিধা না হয়। তিনি তার স্বামীকে বলেছিলেন যে তার সাথে যেতে কিন্তু তিনি রাজি হননি। তাই এখন বাড়িতে থাকবে শুধু পরী আর বাড়ির মালিক সেই সরকারী কর্মকর্তা।

সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী সব রান্নাবান্না করে ফ্রিজে রেখে গেছেন। তার বাড়ি ফিরতে প্রায় ১ সপ্তাহ লাগতে পারে। তাই বেশি করে খাবার রান্না করে ফ্রিজে রেখে যাচ্ছেন তিনি আর পরীকে বাড়ি দেখাশুনা করার বেপারে বুঝিয়ে যাচ্ছেন যতোটা সম্ভব, কারন পরীর বয়স মাত্র ১০ বছর। সে এতো কিছু বুঝবে না।

সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী যাবার সময় বার বার বলে গেছেন পরীকে, সে যেনো তার স্বামীর কথা মেনে চলে আর কোনো দুষ্টামি যেনো না করে। পরী সব কিছুতেই মাথা নাড়িয়ে হ্যা বলে উত্তর দিয়েছে। তারপর সরকারী কর্মকর্তার স্ত্রী চলে গেলেন তার বাবার বাড়ি।

সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। পরীর খুব ভয় লাগছে একা একা। সে আগে কখনো একা থাকেনি। একটু পরে সরকারী কর্মকর্তা বাসায় এলেন। এসে পরীকে ডাক দিলেন। পরীর এখন খুব ভালো লাগছে, আর ভয় লাগছে না।

সরকারী কর্মকর্তা পরীকে জিজ্ঞেস করেলেন রাতে খাবারে কি আছে। পরী বললো আপা তো গরুর মাংস আর মুরগির মাংস আবার কি একটা মাছ জানি রান্না কইরা গেছে। আর কইয়া গেসে আপনে যা চান ঐটা ফ্রিজ থেকে নামাইয়া আপনেরে গরম কইরা দিতে।

সরকারী কর্মকর্তা বললেন, আচ্ছা এক কাজ কর, আমার জন্য মুরগির মাংস নামা। তারপর গরম কইরা নিয়া আয়। আর শোন, গোসল কইরা আয়। তর শরীরে অনেক গন্ধ।

পরী তার মালিকের কথা মতো গোসল করে মুরগির মাংস গরম করে টেবিলে রেখে সরকারী কর্মকর্তাকে খেতে ডাক দিলো। সরকারী কর্মকর্তা খাচ্ছেন, তিনি তাড় সাথে পরীকে বসিয়ে খাওয়ালেন।

তারপর পরী গেলো খাবার প্লেট ধুয়ে রেখে আসতে, কিন্তু সরকারী কর্মকর্তা পরীকে বললো, এখন আর কাজ করা লাগবে না, তুই আমার ঘরে আয়।

পরী গেলো ঘরে। সরকারী কর্মকর্তা বসে বসে বাজে বাজে ভিডিও দেখছিলো আর পরীকে সে সামনে বসিয়ে রেখেছিলো। পরী তো ছোট মানুষ। সে ভিডিওতে নগ্ন মেয়ে ছেলেকে একসাথে বিছানায় কি জেনো করছে সে কিছুই বুজতে পারছে না তবে তার ভালো লাগছে না।

সে বললো, স্যার আমি এখন যাই? প্লেট গুলো ধুইয়া আহি?

সরকারী কর্মকর্তা পরীকে বললো, তোকে আমি বলেছি তো আজকে আর কাজ করা লাগবে না। ভিডিও দেখ। এখানে মেয়েটা যা যা করছে তা তা করতে হবে তোকে আমার সাথে। পরী সাথে সাথে না বলে দেয় তাকে।

সে রেগে পরীকে একটা থাপ্পড় দিয়ে পরীকে বলে, জামা খোল। পরী ভয় পেয়ে জামা খুলে ফেললো আসতে আসতে। পরী চেষ্টা করছিলো তার শরীরটা হাত দিয়ে ঢেকে রাখতে যতোটা সম্ভব। কিন্তু পরীকে সে টানে বিছানায় নিয়ে জোর করে বিছানায় শোয়ালো।

পরীর খুব ভয় লাগছে। কিন্তু কিছু বলতে পারছে না। তারপর সরকারী কর্মকর্তা নিজের সব জামা খুলে উলঙ্গ হয়ে পরীর উপরে শুয়ে শুরু করলো……………………..

পরীর অনেক ব্যথা করছে গোপন অঙ্গে। সে অনেক কান্না করছে কিন্তু সরকারী কর্মকর্তা কোনো ভাবেই থামছে না, সে তার মতো চালিয়ে যাচ্ছে ধর্ষন।

এভাবে রাতভর ধর্ষন করলো সে। সকালে পরীর শরীর অনেক খারাপ ছিলো। তার গোপন অঙ্গ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। খুব ব্যথা করছে তার।

এমন সময় সরকারী কর্মকর্তা তাকে আবার ডাক দিলো ঘুম থেকে উঠে। পরী ভয়ে ভয়ে গেলো তাড় কাছে। পরীকে টেনে বিছানায় নিয়ে আবার ধর্ষন করলো সে।

এভাবে ৬ দিন যাবত সরকারী কর্মকর্তা লালসা মেটানোর কাজ করছিলো পরী। পরীর অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যাবার পরে সরকারী কর্মকর্তা তাকে তার বাবার কাছে পাঠিয়ে দেয়।

পরী এখন আই সি ইউ তে আর তার পাশেই তার বাবা বসা। খুব কাঁদছে সে। অনেক কষ্ট হচ্ছে তার। সে তার বাবার হাত ধরে বললো, “আব্বা আমি কি বাচুম না আর? আমি কি মইরা যামু? আমারে কি বাচান যাইবো না? আপনের কি অনেক টেকে খরচ অইবো? বেশি টাকা খরচ হইলা থাক। আমার লেইগা এতো টেকা খরচ করন লাগবো না।”

পরীর বাবার বুকটা ফেটে যাচ্ছে। যে আর কান্না থামাতে পারলো না। হাউ মাউ করে কাঁদছে সেমেয়েকে জড়িয়ে ধরে। আর পরী তার বাবা কে শান্তনা দিয়ে বলছে, “কাইন্দেন না আব্বা, আপনে কানলে আমার ভালা লাগে না।”

এই ছিলো কাজের মেয়েকে ধর্ষনের গল্প যেটা আমাদের সমাজের জন্য খুব লজ্জার একটা বেপার। যদি এতৈ ইচ্ছা করে বউ থাকতেও অন্য মেয়ের সাথে সেক্স করতে তাহলে পতিতালয়ে কেনো যায় না এই সব মানুষের মতো দেখতে কুকুর গুলো!

পতিতালয়ে অনেক পতিতা বসে আছে এই সব কুকুরের জন্য যাদের কিছু টাকা দিলেই তারা নগ্ন হয়ে আপনার সাথে যৌন সঙ্গম করতে চলে আসবে জামা কাপড় খুলে। তখন আর থাপ্পড় দিয়ে বলা লাগবে না জামা কাপড় খোলার কথা।

কি লাভ এভাবে নিজের একদিনের লালসা মেটাতে গিয়ে একটা প্রানকেই দুনিয়া ছাড়া করার?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *