এক রাতের ভালোবাসার গল্প

এক রাতের ভালোবাসার গল্প

এক রাতের ভালোবাসার গল্প টা শুরু হলো মারুফ আর রাফিয়ার ঝগড়া দিয়ে। রাস্তায় যাবার পথে বাস নষ্ট হয়ে যায়। দুইজনই পরিবারই ঈদের ছুটিতে দেশের বাড়ি যাচ্ছে আর তারা একই বাসে উঠেছে। হঠাত রাস্তায় বাস নষ্ট হয়ে যায় আর এখন বাজে প্রায় রাত ১১ টা। এতো রাতে আশে পাশে কোথাও বাস দেখা যাচ্ছে না। কি হবে এখন!

এক রাতের ভালোবাসার গল্প

এক রাতের ভালোবাসার গল্প
এক রাতের ভালোবাসার গল্প

বাসের প্রায় সব যাত্রীরাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছেন। রাস্তায় হঠাত বাস নষ্ট তা ও আবার রাতের বেলা। সাধারনত রাতে বাস এমনিতেই কম চলে। সবাই মেজাজ খারাপ। অবশ্য রাফিয়ার মেজাজটা মনেহয় একটু বেশিই খারাপ হয়েছে। তাই তো অযথা সামান্য একটা চকলেটের জন্য ঝগড়া করে শুরু করে দিয়েছে মারুফের সাথে!

আসলে হয়েছে কি, মারুফ আর রাফিয়া দুইজনই রাস্তার পাশের একটা দোকানে গিয়েছিলো কিছু খাবার কিনতে। কিন্তু দোকানটা ছিলো চায়ের দোকান। তেমন কিছুই ছিলো না চা আর বিস্কুট ছাড়া।

মারুফ আর রাফিয়া ওরা কেউই চা খায় না, তাই দুইজনের নজর পরলো দোকানের অবশিষ্ট্য একটি মাত্র চকলেটের উপরে। মারুফ আগে আগে চকলেটটা হাতে নিয়ে নেয়। রাফিয়া সেটা দেখেই রেগে আগুন!

বেচারা মারুফ এর আর কি দোষ। সে চকলেট খাবে তাই নিয়েছে। কিন্তু রাফিয়া বলছে সে চকলেট টা আগে দেখেছে আর সে ঐ চকলেটটা কিনবে। মারুফ খুব শান্ত সভাবের ছেলে। নিরবে রাফিয়াকে চকলেটটা দিয়ে দিলো আর রাফিয়া ও বাজ পাখির মতো ছো মেরে চকলেট টা নিলো মারুফের হাত থেকে।

যাই হোক, বাস ঠিক হয়ে গেছে প্রায়। খুব বড় রকমের কোনো সমস্যা হয়নি মনেহয়। তাই তো তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে গেছে।

রাফিয়া এবার খুশি। সকালের মধ্যেই গ্রামের বাড়ি যেতে পারবে তাই।

বাসে যেতে যেতে মারুফ আর রাফিয়ার পরিবারের সাথে বেশ ভাব হয়ে গেছে কথা বলতে বলতে। রাফিয়ার মেজাজ এখন শান্ত। রাত প্রায় ১ টা বাজে। সবাই প্রায় এক এক রকম ভঙ্গিতে ঘুমিয়ে পরেছে। তবে মারুফ আর রাফিয়ার বাবা এখনো জেগে। তারা রাজনীতি নিয়ে কথা বলছেন। বেশ ভালোই জমেছে তাদের আলাপ আলোচনা।

মারুফের আম্মুর অনেক ঘুম পাচ্ছে। আর রাফিয়ার আম্মু তো আরো অনেক আগেই ঘুমিয়ে পরেছেন।

পুরো বাসে সব জোড়া সিট যেহেতু মারুফ আর রাফিয়ার বাবা তাদের আড্ডা চালিয়ে যেতে চান সারা রাত তাই তারা বাসের সিট পাল্টালেন। মারুফের আম্মুকে পাঠানো হলো রাফিয়ার আম্মুর সাথে। আর রাফিয়ার আর মারুফের আব্বু একসাথে বসলেন।

অন্য দিকে মারুফ মোবাইলে গেমস খেলছে। সাথে ওর ছোট ভাই ঘুমাচ্ছে। পাশের জোড়া সিটের একটার রাফিয়া আর অন্যটায় রাফিয়ার ছোট বোন ঘুমাচ্ছে।

রাফিয়া বসেছিলো জানালার সাথের সিটে আর মারুফ ও জানালার সাথের সিটেই বসেছিলো।

হঠাত মারুফের চোখ পরলো ঘুমন্ত রাফিয়ার উপরে। বাহ! মেয়েটাকে তো ঘুমের মধ্যে অনেক শান্ত লাগছে। তবে দোকানের সামনে যেই ভয়ঙ্কর চোখ দিয়ে তাকিয়েছিলো আমার দিকে! মনেহয় এই মেয়ের চোখটাই এমন ভয়ঙ্কর, তাছাড়া বাকি সবই অনেক শান্ত।

এই সব ভাবতে ভাবতে অনেকক্ষন যাবত তাকিয়ে আছে মারুফ রাফিয়ার দিকে। নিজের অজান্তেই অনেক কিছু ভাবতে থাকে মারুফ রাফিয়াকে নিয়ে। অনেক কিছু মানে মেয়েটা কেমন, কম রাগী নাকি বেশি রাগী, বয়স কতো হবে, সেই সব ভাবতে থাকে।

এক রাতের ভালোবাসার গল্প টার শুরুটা মনেহয় এখনই হয়ে যাবে। মারুফ নিজের অজান্তেই হয়তো ভালোবেসে ফেলবে এই ঘুমন্ত শান্ত রাফিয়াকে, কিন্তু ঠিক তখনই রাফিয়ার ঘুম ভেঙ্গে যার আর সে দেখে মারুফ তার দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছে।

রাফিয়া আবার রেগে আগুন। “ছেলের সাহস কতো বড়! আমার দিকে তাকাইয়া আছে! এক্কেবারে চোক্ষু দুইটা তুলে ফেলবো।” এই গুলো রাফিয়া মনে মনে বলছিলো আর মারুফকে ইশারা করে এই কথাগুলো বুঝাচ্ছিলো।

মারুফ বেচারা অনেক ভয় পেয়ে গেছে। এমনিতেই মেয়ে মানুষ, তার উপরে আবার রাগী! যদি বাসে চেচা মেচি করে বসে তো না জানি কি হবে আমার! আর মান সম্মান তো থাকবেই না।

মারুফ ইশার করে কান ধরে sorry বলেলো রাফিয়াকে। এরপর ভয়ে ভয়ে আবার মোবাইলে গেমস খেলা শুরু করে দিলো।

প্রায় ২০ মিনিট এর মতো হয়ে গেছে। মারুফ মনে মনে ভাবছে হয়তো বেচে গেছে। মেয়েটা হয়তো আর কিছু বলবে না। আর যা বলেছে তা ইশারাতেই বলেছে। সবাই ঘুমাচ্ছে। হয়তো কেউ খেয়াল করেনি। আল্লাহ বাচাইছে আজকে আমার মান সম্মান। দেখবো নাকি মেয়েটা কি করে? না থাক ভাই, যেই রাগী মেয়ে, আরো একবার তাকালে মনেহয় আমারে বাসের জানালা দিয়ে ধাক্কা দিয়া ফালাইয়া দিবো।

অন্যদিকে রাফিয়া মারুফের দিকে নজর রাখছে। ছেলেটা যদি আবার তাকায়! তাই নজর রাখছে। ঘুমাচ্ছে না। একটানা নজর রাখছে মারুফের দিকে আর মনে মনে ভাবছে। ছেলেটাকে দেখে মনে হচ্ছে না অতোটা চালাক। যদি চালাক হতো তাহলে আমি ওর থেকে চকলেটটা কেড়ে নেয়ার সময় প্রতিবাদ করতো। কিন্তু করেনি।

প্রায় ভোর হয়ে এলো। বাস একটা জায়গায় থামলো বাসের সবাইকে নামাজ পড়তে দেবার জন্য আর যারা নাস্তা করার জন্য। যদিও এতো ভোরে দোকান খোলা থাকার কথা না।

মারুফ ওর আব্বু, আর রাফিয়ার আব্বু ৩ জন নামাজ পড়তে গেলো রাস্তার সামনে একটা মসজিদে।

প্রায় সকালের আলো ফুটতে শুরু করেছে। মারুফ আর রাফিয়ার পরিবারের সবাই একটা দোকানে গেলো নাস্তা করার জন্য।

এইবার ও মারুফ আর রাফিয়া একই চকলেটের দিকে হাত বাড়িয়েছে, তবে এইবার শুধু একটা চকলেট ছিলো না, অনেক গুলোই ছিলো দোকানে, তবে মারফের কাল রাতের কথা মনে পরে যায়। তাই সে হাত সরিয়ে নেয় আর নিজেও সরে গিয়ে রাফিয়াকে চকলেট নেবার জন্য জায়গা ফাকা করে দেয় আর মনে মনে বলতে থাকে, “জল্লাদ মেয়ে একটা, আগে ও ই নেক, আমি পরে নেই, তা না হলে আবার রাতের মতো কান্ড করবে”

আর রাফিয়া মাফুরের সরে যাওয়া দেখে মনে মনে হাসছে আর ভাবছে কাল রাতে কাজটা ঠিক করেনি।

যাই হোক, হয়তো এক রাতের ভালোবাসার গল্প টা এখন শুরু হবে। তবে রাফিয়া যেই রাগী মেয়ে! আর মারুফ ও খুব সাধাসিধে একটা ছেলে, মনেহয়না ওদের মাঝে কিছু হবে। তবে বলা যায় না, কাল রাতে মারুফের রাফিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকা আর রাফিয়া ও মনে মনে অনেক কিছুই তো ভেবেছিলো মারুফকে নিয়ে, ছেলেটে বোকা নাকি চালাক, এইসব। মনে তো হচ্ছে এক রাতের ভালোবাসার গল্প শুরু হয়ে গেছে কাল রাত থেকেই। দেখা যাক কি হয় অবশেষে এই এক রাতের ভালোবাসার গল্প টা।

আবার বাস নষ্ট! এবার কি হবে! এইবার আর ঠিক হচ্ছে না বাস। আশে পাশে তো কোনো বাস বা কোনো রকম গাড়ি ও দেখা যাচ্ছে না। কি আর করা, গ্রামের বাড়ি বেশি দূরে নয়। তাই মারুফ আর রাফিয়ার পরিবার একসাথে হাটা ধরলো।

ওহ! একটা কথা তো বলাই হয়নি। মারুফ আর রাফিয়ার দাদার বাড়ি একই গ্রামে। গত রাতে কথা বলতে বলতে মারুফ আর রাফিয়ার বাবা যে একই গ্রামের বাসিন্দা সেটা বের হয়ে আসে।

সবাই হাটছে, যে যে যার এক্সার মতো করে হটছে। গ্রামের ক্ষেতের মাঝখান দিয়ে হাটছে সবাই। মারুফের কাধে সবার ব্যাগ। বেচারা মারুফ, ৩টা ব্যাগ নিয়ে হাটতে বেশ কষ্ট হচ্ছে। তাই সবার পেছনে মারুফ।

রাফিয়া কিছুটা ইচ্ছা করেই আসতে আসতে হাটছে। হয়তো সে মারুফের সাথে কথা বলতে চায়, তাই। দুইজন প্রায় ১৫ মিনিট ধরেই একসাথে হাটছে। তবে মারুফ রাফিয়ার সাথে কথা বলবে দূরের কথা, একবার রাফিয়ার দিকে তাকায় ও নি।

তারপর রাফিয়া নিজেই কথা বলা শুরু করলো।

রাফিয়া ঃ নাম কি আপনার?

মারুফ ঃ মারুফ।

রাফিয়া ঃ কোন ক্লাসে পড়েন?

মারুফ ঃ ( একটু বিরক্ত হয়ে ) কোনো ক্লাসেই পড়ি না।

রাফিয়া ঃ বলেন কি! লেখাপড়া করেন নি!

মারুফ ঃ করছি।

রাফিয়া ঃ কোন ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন?

মারুফ ঃ কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু করেছিলাম, শেষ করিনি।

রাফিয়া ঃ আপনি ইঞ্জিনিয়ার! এই না বললেন কোনো ক্লাসে পড়েন না!

মারুফ ঃ এখন পড়ছি না, তাই বলেছি।

রাফিয়া ঃ তা, ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করলেন না কেনো?

মারুফ ঃ কাজের চাপে সময় পাই না পড়ার, তাই off রেখেছি লেখাপড়া।

( রাফিয়া অনেক জোরে জোরে হাসছে )

রাফিয়া ঃ হিহিহি। তা হাফ ইঞ্জিনিয়ার মশাই, কি এমন কাজ আপনার যে লেখাপড়া করারই সময় পান না?

মারুফ ঃ আমার কিছু ওয়েবসাইট আছে, সেগুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকি সব সময়। আর কিছুদিন আগে গুগল থেকে আমাকে offer করা হয়েছিলো যে আমার ওয়েবসাইটে ওরা এড দিবে আর যা আয় হবে তার 70% আমার আর বাকি 30% ওদের। এই অফারটা পাবার পরে একটু বেশি সময় দিচ্ছি ওয়েবসাইট গুলোতে। তাই লেখাপড়াটা একটু off রেখেছি।

রাফিয়া এবার মনে মনে সম্মান করতে লাগলো মারুফকে। আর ভাবতে লাগলো, ছেলেটাকে দেখে তো মনে হয় আমার মত বয়স। লেখাপড়া শেষ হবার আগেই গুগলের মতো একটা কম্পানির সাথে কাজ করছে, কিছুটা মার্ক জাকারবার্গ টাইপের ছেলেটা।

রাফিয়া ঃ তা, কি ওয়েবসাই আছে আপনার?

মারুফ ঃ অনেক গুলোই আছে, একটা হচ্ছে newwallpaperhdimages.com

রাফিয়া ঃ কি বলছেন! এটা আপনার ওয়েবসাইট! আমি তো এই ওয়েবসাইট থেকে মেহেদি ডিজাইন নেই সব সময়। এইবার ঈদের জন্যও কয়েকটা ডিজাইন পছন্দ করে রেখেছি।

মারুফ ঃ তাই নাকি!

রাফিয়া ঃ হ্যা। আচ্ছা আপনি কি সব সময় এভাবে মাথা নিচু করে কথা বলেন?

মারুফ ঃ না।

রাফিয়া ঃ তাহলে আজকে মাথা নিচু করে কথা বলছেন যে?

মারুফ ঃ আমি গুছিয়ে কথা বলতে পারি না, তাই সোজা ভাবেই বলে দিচ্ছি। কাল রাতের পর থেকে আপনাকে অনেক ভয় লাগে তাই। আর আপনিই তো কাল ইশারা করে বলেছিলেন চোখ তুলে নিবেন যদি আর একবার আপনার দিকে তাকাই।

রাফিয়া আবার হাসতে শুরু করলো তবে এবার মিষ্টি একটা হাসি দিলো, কিছুটা লজ্জা মাখানো হাসি।

রাফিয়া ঃ হিহিহি। আসলে sorry, কাল রাতে বাস নষ্ট হয়ে যাওয়াতে ভেবেছিলাম আজকে গ্রামে আসতে আসতে দিন শেষ হয়ে যাবে। আজকে আর ঘুরতে পারবো না গ্রামটা। তাই অনেক রাগ উঠেছিলো। আর আপনি আমার দিকে তাকিয়ে কি এমন দেকছিলেন কাল রাতে!

মারুফ ঃ না, আসলে হঠাত করে আপনার দিকে চোখ পরেছিলো। আপনি ঘুমালে আপনাকে অনেক সুন্দর লাগে, সেটাই দেখছিলাম আর ভাবছিলাম যে এই কি সেই জল্লাদ মেয়েটা যে আমার সাথে একটু আগে দোকানে ঝগড়া করেছিলো!

রাফিয়া ঃ ( অন্য রকম একটা রাগী ভাব নিয়ে, যেমনটা কারো গার্লফ্রেন্ড করে ) কি বললেন! আমি জল্লাদ!

মারুফ ঃ না না না, আমি তো আপনাকে জল্লাদ বলি নি, আমি ভেবেছিলাম আর কি।

রাফিয়া ঃ কেনো ভাববেন! আমি মোটেও জল্লাদ না। তবে একটু না হয় রাগ দেখিয়েছিলাম। sorry ও বলেছি।

মারুফ ঃ আচ্ছা ঠিক আছে, থাকুক সেই সব কথা এখন।

রাফিয়া ঃ ok, থাক তাহলে অন্যদিন কথা হবে এটা নিয়ে।

মারুফ ঃ অন্যদিন দেখা হচ্ছে বুঝি!

রাফিয়া ঃ হতেই পারে, যেহেতু একই গ্রামে যাচ্ছি।

মারুফ ঃ সেটা অবশ্য ঠিক বলেছেন।

সামনে থেকে রাফিয়ার আম্মু রাফিয়াকে ডাকছে। তারা প্রায় এসে পরেছে বাসার কাছাকাছি। মারুফদের দাদাবাড়ি আরো একটু ভেতরে। ওদের আরো একটু যেতে হবে।

রাফিয়ার আব্বু আম্মু মারুফের আব্বু আম্মুকে অনেক জোর করেছিলো তাদের বাসায় যেতে, তবে এখন তারা আগে নিজেদের বাসার যেতে চাইছেন। তবে মারুফের আব্বু আম্মু কথা দিয়েছে যে তাদের বাড়িতে আসবে অবশ্যই।

তারপর দুই পরিবার বিদায় নিয়ে যার যার বাড়ির দিকে যেতে লাগলো। রাফিয়ার মনটা খারাপ হয়ে গেছে, কিন্তু কেনো সেটা রাফিয়া নিজেও বুঝতে পারছে না। মারুফ ও কেনো যেনো বার বার পেছনে ফিরে তাকাচ্ছে, ওর মনে হচ্ছে ও কি যেনো একটা ফেলে রেখে যাচ্ছে।

হয়তো এটাই এক রাতের ভালোবাসার গল্প, হয়তো এখানেই শুরু এক রাতের ভালোবাসার গল্প টার। হয়তো ওদের আবার দেখা হবে, হবে মন দেয়া নেয়া। যেহেতু মারুফের আব্বু আম্মু রাফিয়ার আব্বু আম্মুকে কথা দিয়েছে ওদের বাসায় আসবে আর রাফিয়া ও যেহেতু মারুফকে বলেছে আবার দেখা হলে কথা বলবে রাতে ঘটে যাওয়া বেপার গুলো নিয়ে, তাহলে বলাই যায় এটা হচ্ছে এক রাতের ভালোবাসার গল্প যা শুরু হয়েছে কাল রাতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *